স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
যশোর শহরের বারান্দী মোল্লাপাড়া আমতলা এলাকায় ৫০ হাজার টাকা চাঁদার দাবিতে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরকে জিম্মি করে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। জিম্মিদশা থেকে মুক্ত হয়ে বর্তমানে নির্যাতিত ওই কিশোর যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুজনকে আসামি করে যশোর কোতোয়ালি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী কিশোরের বাবা আবুল কালাম আজাদ।
থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ অক্টোবর পূর্বপরিচয়ের সূত্র ধরে রিয়াদ নামের এক যুবক ভুক্তভোগী কিশোরকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যান। পরবর্তীতে বারান্দী মোল্লাপাড়া এলাকায় তাকে আটকে রেখে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। কিশোর ও তার পরিবার এই দাবিকৃত টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। একপর্যায়ে কিশোরের গলায় ফাঁস দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যাচেষ্টা এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে জ্বলন্ত সিগারেটের ছ্যাঁকা দিয়ে নির্মম নির্যাতন চালানো হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
পরে ওই দিন বিকেল ৫টার দিকে আসামিরা কিশোরকে ছেড়ে দিলে স্বজনেরা তাকে রক্তাক্ত ও জখম অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
কিশোরের বাবা আবুল কালাম আজাদ সংবাদমাধ্যমকে জানান, তাঁর নাবালক ছেলের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঠিক তদন্তপূর্বক জড়িত সকল আসামিকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। একই সাথে পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
যশোর কোতোয়ালি থানার দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটির সত্যতা যাচাই ও জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণে পুলিশ তৎপর রয়েছে। ফাইল ছবি সংগৃহীত।
