নিহত ১৬ বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে

নিহত ১৬ বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে

স্ফুলিঙ্গ ডেক্স :

সৌদি আরবের রিয়াদের একটি সোফা তৈরি কারখানায় সংঘটিত মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশি প্রবাসীদের নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। পূর্বে এই দুর্ঘটনায় প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে ৭ জন প্রবাসীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও পরবর্তীতে নিহতের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ১৬ জনে গিয়ে পৌঁছেছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

আজ সোমবার (১০ আগস্ট ২০২৬) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। রিয়াদের সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১৬ জন বাংলাদেশি নাগরিকের এমন করুণ ও মর্মান্তিক প্রাণহানিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম গভীর শোক ও আত্মিক সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

তথ্যসূত্রে জানা যায়, নিহতদের একটি বড় অংশই নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার গন্ডগোহালী, বিষা ও পারকাসুন্দা গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। রিয়াদের সেই কারখানায় শ্রমিকের কাজ করতেন তাঁরা। রোববার দুপুরে আগুন লাগার পর রাতে আত্রাই উপজেলা প্রশাসন ৭ জনের মৃত্যুর খবর প্রথম নিশ্চিত করে। তবে উদ্ধার অভিযান জোরদার ও গভীর অনুসন্ধানের পর শেষ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ১৬ জনে গিয়ে ঠেকেছে। একই এলাকার একাধিক পরিযায়ী শ্রমিকের অকালমৃত্যুর খবরে আত্রাই উপজেলাসহ গোটা দেশে শোকের ছায় নেমে এসেছে।

এক যৌথ শোকবার্তায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিহত বাংলাদেশি নাগরিকদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করেন। এই অপূরণীয় ক্ষতি ও কঠিন শোকের সময়ে সরকার নিহত প্রবাসীদের স্বজনদের পাশে থেকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবে বলে আশ্বাস দেন তাঁরা।

এদিকে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনার সংবাদ পাওয়ার পরপরই রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থল এবং হাসপাতালে উপস্থিত হন। নিহতদের সঠিক পরিচয় শনাক্তকরণ, প্রয়োজনীয় আইনগত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা এবং মরদেহগুলো দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস সংশ্লিষ্ট সৌদি প্রশাসনের সঙ্গে সার্বক্ষণিক নিবিড়ভাবে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে। পরারাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিস্থিতি তদারকি করছে। ছবি সংগৃহীত।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *