স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ভর্তির জন্য যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বিশেষ কোটায় মোট ১৫ জন শিক্ষার্থীকে মনোনীত করা হয়েছে। এসব বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ও কৃতী শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নামী কলেজগুলোর নির্ধারিত ন্যূনতম জিপিএ (GPA) শিথিল করেছে বোর্ড কর্তৃপক্ষ।
বিশেষ এই কোটার তালিকায় স্থান পেয়েছেন শারীরিক ও দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী, প্রবাসীদের সন্তান এবং সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া ক্ষেত্রে বিভাগীয় বা জাতীয় পর্যায়ে অসামান্য সাফল্য অর্জনকারীরা।
মনোনীত ১৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে সর্বোচ্চ ১২ জন প্রতিবন্ধী কোটায়, ২ জন প্রবাসী কোটায় এবং ১ জন সাংস্কৃতিক কোটায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের স্বনামধন্য বিভিন্ন সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত কলেজে ভর্তির চূড়ান্ত সুযোগ পেয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী:
-
সাংস্কৃতিক কোটা: খুলনা বিভাগীয় পর্যায়ে নৃত্য প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করায় খুলনার সরকারি এমএমসিটি (MMCT) কলেজের বিজ্ঞান বিভাগে সুযোগ পেয়েছেন সৈয়দা মিন্নাতাল্লাহ।
-
প্রবাসী কোটা: যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজের বিজ্ঞান বিভাগে কোয়েল আফরোজ এবং যশোর সরকারি এমএম কলেজের মানবিক বিভাগে জিলানী জাহান ভর্তির জন্য মনোনীত হয়েছেন।
-
প্রতিবন্ধী কোটা: যশোর সরকারি এমএম কলেজের মানবিক বিভাগে মো. শাহারিয়ার আলম, রিদিয়ানা ইসলাম রাদিয়া, জিএম অফিয়া জামান, রামিসা মেহজাবিন ও হুসাইন আহম্মেদ; খুলনা সরকারি এমএমসিটি কলেজের বাণিজ্য বিভাগে মো. নাইমুল ইসলাম ও মানবিক বিভাগে প্রান্ত প্রদীপ সরকার; খুলনা সরকারি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগে গোপাল কৃষ্ণ বিশ্বাস; খুলনা সরকারি বিএল (BL) কলেজের মানবিক বিভাগে তাসনিম আলম জিসান এবং কুষ্টিয়া সরকারি সেন্ট্রাল কলেজের বিজ্ঞান বিভাগে মো. আল আমিন, লামিম রেজা ও আবুল কালাম আজাদ মনোনীত হয়েছেন।
যশোর শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর মো. কবুয়াত আলী বিশ্বাস বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিশেষ কোটায় মনোনীত এই ১৫ শিক্ষার্থীর কলেজ কর্তৃক নির্ধারিত জিপিএ শর্ত শিথিল করা হয়েছে। তারা সাধারণ অনলাইন পদ্ধতির জটিলতা ছাড়াই সরাসরি ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে পছন্দকৃত কলেজে ভর্তি হতে পারছেন। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন ভর্তি সম্পন্ন করেছেন এবং বাকিদেরও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। ফাইল ছবি সংগৃহীত।
