স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
যশোর সদর উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা মোমিন গাজী তাঁর মেয়ে সুমনা বেগমকে যৌতুকের দাবীতে অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে হত্যার অভিযোগ তুলেছেন। এই ঘটনায় জড়িত আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।
আজ শনিবার দুপুরে (০১ আগষ্ট ২০২৬) যশোর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে হতভাগ্য এই পিতা বলেন, ছয় বছর আগে সদর উপজেলার রূপদিয়ার মুনসেফপুর গ্রামের জসিম মোল্যার সঙ্গে সুমনার বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে দুটি ছোট সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই জামাতা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা যৌতুকের জন্য নানাভাবে নির্যাতন চালাতেন। মেয়ের সংসার টিকিয়ে রাখতে একাধিকবার টাকা ও আসবাবপত্র দেওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি।
নিহতের বাবার অভিযোগ, গত এপ্রিল মাসের শেষের দিকে গভীর রাতে সুমনাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে মরদেহ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়। খরব পেয়ে পুলিশ ও স্বজনেরা পৌঁছানোর আগেই আসামিরা সপরিবারে পালিয়ে যায়। পরবর্তীকালে আদালতে মামলা দায়ের করা হলেও অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
সংবাদ সম্মেলনে মোমিন গাজী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তিনি একজন অক্ষরজ্ঞানহীন সাধারণ মানুষ হওয়ায় আইনি প্রক্রিয়ার সুবিধা নিতে পারছেন না। সেই সুযোগে আসামিরা পার পেয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রধান অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তির নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।ছবি সংগৃহীত।

