স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম প্রধান সাংবাদিক সংগঠন প্রেসক্লাব যশোরের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন-২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত একটানা ও বিরতিহীনভাবে যশোর প্রেসক্লাব ভবনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ভোটাররা। ভোট গণনা সম্পন্ন হওয়া মাত্রই ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে।
বিজ্ঞাপন
আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) প্রেসক্লাব যশোর নির্বাচন পরিচালনা কমিটি-২০২৬-এর পক্ষ থেকে এ তফসিল আনুষ্ঠানিকভাবে সার্বজনীন পেশ করা হয়। ঘোষিত কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় একই দিন বিকেল ৫টায় খসড়া ভোটার তালিকা বিজ্ঞপ্তি বোর্ডে প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞাপন
নির্বাচনী ক্যালেন্ডার অনুসরণ করে খসড়া ভোটার তালিকার ওপর যেকোনো প্রাতিষ্ঠানিক আপত্তি বা লিখিত দাবি গ্রহণ করা হবে ৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। একই দিন বিকেল ৩টা থেকে ৫টার মধ্যে সংগৃহীত আপত্তির আইনি নিষ্পত্তি শেষে চূড়ান্ত হালনাগাদ ভোটার তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ পাবে সন্ধ্যা ৭টায়।
প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে জানানো হয়, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টার মধ্যে কমিশন নির্ধারিত দপ্তর থেকে চূড়ান্ত মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে হবে। সংগৃহীত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে ৬ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। পরবর্তী ধাপ হিসেবে ৭ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টা হতে ২টার মধ্যে জমা হওয়া ফরমগুলো সতর্কতার সাথে যাচাই-বাছাই করা হবে এবং ৮ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টা থেকে ৬টার মধ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ পাবেন প্রার্থীরা।
নির্বাচন পরিচালনা পর্ষদ থেকে পদভিত্তিক অফেরতযোগ্য ফরমের ফি ও জমার পরিমাণ নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের প্রার্থীপদের জন্য ফরমের মূল্য ৫,০০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া সহসভাপতি ও যুগ্ম সম্পাদক পদের জন্য ৩,০০০ টাকা; কোষাধ্যক্ষ, দপ্তর সম্পাদক এবং সাংস্কৃতিক ও সমাজসেবা সম্পাদক পদের জন্য ২ ৫০০ টাকা এবং সাধারণ সদস্য পদের জন্য মনোনয়নপত্রের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২,০০০ টাকা। একইসাথে মূল ফরমের সাথে ৫০০ টাকা ফি পরিশোধ সাপেক্ষে সংগৃহীত আবেদনের মাধ্যমে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ম্যানুয়াল গ্রহণ করতে হবে।
ফরমের সাথে দুই কপি সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি এবং মনোনয়নপত্র সংগ্রহের মূল রসিদ সংযুক্ত করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কেবল প্রেসক্লাব যশোরের অনুমোদিত ভোটার তালিকায় নামভুক্ত সদস্যরাই এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন।
ভোট প্রক্রিয়ায় ভোটার প্রার্থীর নাম ও ছবির পাশের নির্ধারিত জায়গায় গোপন সিল মেরে ভোট বাক্সে ফেলবেন। নির্বাচনে জয়ী প্রতিনিধি প্যানেল পরবর্তী ২ বছরের জন্য ক্লাবের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা ও পরিচালনার দায়িত্ব সামলাবেন। ভোট গণনা কক্ষে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রার্থী অথবা তাঁদের নির্ধারিত এজেন্টরা উপস্থিত থেকে প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট আইন বা বিবাদের ক্ষেত্রে গঠিত নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
ঘোষিত তফসিলে যৌথ স্বাক্ষর করেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট হাজী আনিছুর রহমান মুকুল এবং কমিটির সদস্য রেজাউল করিম। ফাইল ছবি সংগৃহীত।

