লালুয়া জনতা বিদ্যালয়ের পৌনে চারশ শিক্ষার্থীর হাতে গাছের চারা তুলে দিলেন ইউএনও

লালুয়া জনতা বিদ্যালয়ের পৌনে চারশ শিক্ষার্থীর হাতে গাছের চারা তুলে দিলেন ইউএনও

বিশ্বাস শিহাব পারভেজ মিঠু, কলাপাড়া (পটুয়াখালী):

“বৃক্ষ রোপণ করি, সবুজ দেশ গড়ি”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে এবং উপকূলজুড়ে একটি টেকসই সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলার প্রত্যয়ে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় লালুয়া জনতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলদ গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

আজ বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বেলা ১১টায় বিদ্যালয় চত্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও চারা বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। এতে বিদ্যালয়ের প্রায় তিন শ ৭২ জন শিক্ষার্থীর হাতে আম, কাঁঠাল, জাম, আমলকী ও পেয়ারা গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফুজ্জামান। তিনি নিজ হাতে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ কার্যক্রমের শুভ সূচনা করেন।

পরিবেশবাদী সংগঠন ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)’, নদী ও খাল রক্ষা অধিকার আন্দোলন সংগঠন ‘ওয়াটার কিপার্স বাংলাদেশ’ এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘আমরা কলাপাড়াবাসী’-র যৌথ আয়োজনে এ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির পাশাপাশি অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন লালুয়া জনতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অবনী কুমার রায়, লালুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শওকত হোসেন তপন বিশ্বাস, ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)-এর কলাপাড়াঞ্চলের সমন্বয়কারী মেজবাহউদ্দিন মাননু, ওয়াটার কিপার্স কুয়াকাটা প্রতিনিধি কামাল হাসান রনি, ‘আমরা কলাপাড়াবাসী’-র সংগঠক ও সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম এবং প্লাটেনিয়ার্স ক্লাবের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে আম, কাঁঠাল, জাম, আমলকী ও পেয়ারার চারা বিতরণ করা হয়। বিনা মূল্যে ফলদ চারা পেয়ে এবং পুরো পরিবেশকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে এক আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

বৃক্ষ বিতরণ শেষে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাদিক আব্দুল্লাহ তার অনুভূতি প্রকাশ করে জানায়, “আমি একটি কাঁঠালের চারা পেয়েছি। এই চারাটি বাড়িতে নিয়ে গিয়ে যথাযথভাবে রোপণ করব, নিয়মিত পরিচর্যা করব এবং গাছটিকে বাঁচিয়ে রাখব। বড় হয়ে এর সুস্বাদু ফল খাওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় যে গাছের কোনো বিকল্প নেই, তা আমি অনুধাবন করতে পেরেছি। গাছের চারা পেয়ে আমাদের মতো সব শিক্ষার্থীই ভীষণ আনন্দিত।” ছবি প্রতিবেদক।

আরো পড়ুন

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *