১১ বছরের মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার মামলা করে বিপাকে দরিদ্র পরিবার

১১ বছরের মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার মামলা করে বিপাকে দরিদ্র পরিবার

বিশ্বাস শিহাব পারভেজ মিঠু, কলাপাড়া (পটুয়াখালী):

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ১১ বছর বয়সী এক কোমলমতি মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করে চরম বিপাকে পড়েছে ভুক্তভোগী এক অসহায় ও দরিদ্র পরিবার।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

মামলা তুলে নেওয়ার জন্য আসামিপক্ষ থেকে প্রতিনিয়ত হুমকি, মানসিক নির্যাতন এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে লতা চাপলী ইউনিয়নের পূর্ব নতুন পাড়া গ্রামে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে পুরো পরিবারটি।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ৭ জুলাই দুপুরে ওই শিশুটিকে একা বসতঘরে রেখে তাঁর মা ও নানী স্বজনদের বাড়িতে যান। এই সুযোগে নির্জনতার সুযোগ নিয়ে প্রতিবেশী লম্পট নুর মোহাম্মদ হাওলাদার ঘরে ঢুকে শিশুটিকে জোরপূর্বক শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।

এ ঘটনার পর শিশুটির মা বাদী হয়ে পটুয়াখালীর মহিপুর থানায় একটি সুনির্দিষ্ট মামলা দায়ের করেন। মামলা পরবর্তী অভিযানে মহিপুর থানা পুলিশ অভিযুক্ত নুর মোহাম্মদকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করে।

তবে বিপত্তি ঘটে কিছুদিন জেলহাজতে কারাভোগ করার পর আসামি জামিনে মুক্তি পেয়ে বের হওয়ার পর থেকে। কারাগার থেকে বের হয়েই সে ভুক্তভোগী পরিবারটিকে অবরুদ্ধ করে তোলে। মামলা প্রত্যাহার না করলে মারাত্মক পরিণতির হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি নানাভাবে মানসিক ও সামাজিক নির্যাতন চালাচ্ছে বলে ভুক্তভোগী শিশুর মা ও নানী বুকফাটা কান্নায় অভিযোগ করেন।

বর্তমানে চরম শঙ্কা ও নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা হতদরিদ্র পরিবারটি অচিরেই প্রশাসনিক সুরক্ষা নিশ্চিতের পাশাপাশি অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তির আকুল দাবি জানিয়েছে।

অভিযুক্ত নুর মোহাম্মদ হাওলাদারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার জানান, “মামলাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। জামিনে থাকা আসামির হুমকি বা নতুন করে কোনো হয়রানির বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।” ছবি সংগৃহীত।

আরো পড়ুন

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *