শহিদ জয় :
তারিখ: ৩ নভেম্বর ২০২৬
যশোরে নির্মিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে দুষ্কৃতকারীদের দেয়া অগ্নিসংযোগের ন্যক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদ, জুলাইযোদ্ধাদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সর্বস্তরের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের দাবিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং যশোরের জেলা প্রশাসকের কাছে পৃথক দুটি লিখিত স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
‘জুলাইযোদ্ধা’ সংগঠন, যশোর জেলা শাখার উদ্যোগে আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর ২০২৬) এই স্মারকলিপি পেশ করা হয়। এ ছাড়া যশোর জেলার পুলিশ সুপার, জেলা পরিষদের প্রশাসক এবং প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর স্থানীয় শীর্ষ নেতাদের কাছেও একই স্মারকলিপির অনুলিপি হস্তান্তরিত হয়। স্মারকলিপিতে যৌথ স্বাক্ষর করেন সংগঠনের জেলা আহ্বায়ক মো. আহাদ হোসাইন এবং সদস্য সচিব মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব।
বিজ্ঞাপন
স্মারকলিপিতে যশোরের জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগের অশুভ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, নিন্দা ও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে অবিলম্বে ঘটনার একটি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধী ও তাদের পেছনে থাকা অনুঘটকদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জোরালো দাবি জানানো হয়েছে।
স্মারকলিপির উল্লেখযোগ্য দাবিগুলো হলো— ১. যশোর জেলার সব জুলাইযোদ্ধা এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ। ২. জুলাই স্মৃতিস্তম্ভসহ জেলার ঐতিহাসিক সব স্মৃতিচিহ্নের সুরক্ষায় স্থায়ী ও কার্যকর সিসিটিভি বা প্রশাসনিক নজরদারি জোরদার করা। ৩. জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদ ও আহতদের যথাযথ সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করা।
স্মারকলিপিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ সব গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়— দলীয় মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে জুলাইযোদ্ধাদের সুরক্ষা ও বিপ্লবের চিহ্নসমূহ রক্ষায় সবাইকে এক কাতারে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
এ ছাড়াও স্মারকলিপিতে এই স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সব রাজনৈতিক দলের পক্ষে যৌথ প্রতিবাদ ও নিন্দা কর্মসূচি গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে যেকোনো হামলা প্রতিরোধে দলগুলোর মধ্যে নিয়মিত সামাজিক সমন্বয় ও যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার গুরুত্ব আরোপ করা হয়। ছবি সংগৃহীত।

