স্ফুলিঙ্গ ডেক্স :
খুচরা বাজারে ভোক্তা পর্যায়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে নির্ধারিত দামের চেয়ে অতিরিক্ত মূল্যে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার বিক্রির বিরুদ্ধে এবার কঠোর অবস্থান নিয়েছে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এলওএবি)।
সংগঠনটি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নির্ধারিত দরেই বাজারে সিলিন্ডার বিক্রি নিশ্চিত করতে হবে। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কেউ অতিরিক্ত দাম হাঁকালে বা অবৈধভাবে গ্যাস সিলিন্ডার মজুত করলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর ২০২৬) এলওএবি সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাজার নিয়ন্ত্রণ ও অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে এই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের বাজারে এলপিজির কোনো ধরনের ঘাটতি নেই। বিগত আগস্ট মাসে দেশে প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার মেট্রিক টন এবং সেপ্টেম্বর মাসে ১ লাখ ৫৬ হাজার মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি করা হয়েছে। দেশে চাহিদার বিপরীতে পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ থাকা সত্ত্বেও একটি কুচক্রী মহল সংকট উসকে দিয়ে সাধারণ ক্রেতাদের কাছ থেকে সিলিন্ডারপ্রতি ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত হাতিয়ে নিচ্ছে। বর্তমানে ১২ কেজির সরকারি নির্ধারিত মূল্য ১ হাজার ৫৮৫ টাকা হলেও মাঠপর্যায়ে ভোক্তাদের ২১০০ থেকে ২৬০০ টাকা পর্যন্ত গুণতে হচ্ছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গত ২৮ সেপ্টেম্বর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ৩০ সেপ্টেম্বর জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের অনলাইন নির্দেশনায় সারা দেশের জেলা প্রশাসকদের (ডিসিদের) এলপিজির বাজার তদারকিতে মোবাইল কোর্টসহ কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এলওএবি জানিয়েছে, সাধারণ ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় এবং বাজারে স্বস্তি ফেরাতে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক সমন্বয় বজায় রেখে যেকোনো ধরনের কালোবাজারি রুখে দেওয়া হবে। ছবি সংগৃহীত।

