৫০ হাজার ইয়াবাসহ ইউনিয়ন যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

৫০ হাজার ইয়াবাসহ ইউনিয়ন যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

স্ফুলিঙ্গ ডেক্স :

কক্সবাজারের উখিয়ায় ৫০ হাজার পিস অবৈধ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ পালংখালী ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য ছৈয়দুল বশর ওরফে ছিয়ক বশর বা সিসি বশরকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর ২০২৬) উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী জোড়া ব্রিজের পশ্চিম পাশে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত ছৈয়দুল বশর উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের আঞ্জুমানপাড়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুস ছবুরের ছেলে। তিনি পালংখালী ইউনিয়ন যুবদলের ১১৫ নম্বর সদস্য বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উখিয়া উপজেলার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের দিক থেকে আসা একটি সন্দেহভাজন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে থামার সংকেত দেন দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা। এ সময় অটোরিকশার চালকসহ মোট তিনজন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ সদস্যরা ধাওয়া দিয়ে ছৈয়দুল বশরকে আটক করতে সক্ষম হন। পরবর্তীতে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অটোরিকশার চালকের আসনের নিচে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা একটি সাদা বস্তা তল্লাশি করে পাঁচটি আলাদা কার্টনে রক্ষিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের দাপ্তরিক নথি পর্যালোচনা করে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত ছৈয়দুল বশরের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় ইতিপূর্বেও পাঁচটি নিয়মিত মামলা রয়েছে।

অভিযানের বিবরণ দিয়ে বালুখালী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গোলাম কিবরিয়া জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বালুখালী জোড়া ব্রিজের পশ্চিমে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালানোর সময় ৫০ হাজার পিস ইয়াবাসহ একজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপর দুই মাদক কারবারি সটকে পড়েন। সুযোগ বুঝে পালিয়ে যাওয়া সেই দুই সহযোগীকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিমের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতিকুর রহমান মজুমদার জানান, মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশ বাহিনীর এমন কঠোর অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে পূর্বের মামলাগুলোর বিষদ তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ধারায় নিয়মিত মামলা দায়েরের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং এই অপরাধ চক্রের সাথে জড়িত অন্য চক্রকেও আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে পুলিশ। ছবি সংগৃহীত।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *