স্ফুলিঙ্গ ডেক্স :
গাইবান্ধা শহরের শীর্ষ পুলিশ প্রশাসনের সরকারি বাংলোর ভেতরে অবস্থিত ব্যারাকে ঘটে গেছে এক হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা। নিজের স্ত্রীর সঙ্গে মুঠোফোনে দৃশ্যমান মাধ্যমে কথা বলতে বলতেই ফাঁসের আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন এক পুলিশ সদস্য। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম।
বিজ্ঞাপন
নিহত ওই পুলিশ সদস্যের নাম হাবিবুর রহমান। ৩৩ বছর বয়সী এই নায়েক সদস্যের স্থায়ী নিবাস নীলফামারী সদর উপজেলার সরদারপাড়া গ্রামে, যেখানে তাঁর পিতা মন্টু মিয়া বসবাস করেন।
বিজ্ঞাপন
ঘটনার বিবরণে প্রকাশ, চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকা থেকে গাইবান্ধার জেলা পুলিশ সুপারের সরকারি বাসভবনে নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে কাজে যুক্ত হন হাবিবুর রহমান। অপরাহ্ণে ব্যারাকে থাকা সহকর্মীদের সন্দেহ জাগে যখন দেখা যায় হাবিবুর দীর্ঘদিন ধরে শৌচাগার থেকে বের হচ্ছেন না। ভেতর থেকে বারবার নাম ধরে ডেকে এবং কোনোপ্রকার সাড়া না পেয়ে কৌতূহলী পুলিশ সদস্যরা দরজা ভেঙে সজোরে প্রবেশ করেন।
ভেতরে ঢুকতেই হাবিবুরকে ঝুলন্ত নিথর অবস্থায় পেয়ে গোটা ব্যারাকে এক শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তড়িঘড়ি করে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন মহলে জানানো হলে আইনানুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদারকি শুরু করেন।
ঠিক কী কারণে পারিবারিক এই ব্যক্তিগত চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ওই পুলিশ সদস্য, সে ব্যাপারে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু স্পষ্ট হওয়া যায়নি। ঘটনাটির নেপথ্য সত্য উদঘাটনে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তদন্ত জোরদার করেছে। ছবি সংগৃহীত।

