যশোরে পৃথক হামলায় নারীসহ ৪ জন গুরুতর জখম

যশোরে পৃথক হামলায় নারীসহ ৪ জন গুরুতর জখম

স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :

যশোরে পৃথক দুটি স্থানে একই রাতে সন্ত্রাসীদের ধারালো অস্ত্রের কোপ ও প্রতিপক্ষের রডের আঘাতে নারীসহ চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার রাতে শহরের বড়বাজার মাছবাজার এলাকা এবং সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়নের গাদগাছি গ্রামে এসব রক্তক্ষয়ী হামলার ঘটনা ঘটে। আহতদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

প্রথম ঘটনাটি ঘটে বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে কোতোয়ালি মডেল থানাধীন যশোর শহরের প্রাণকেন্দ্র বড়বাজার মাছবাজার এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্বশত্রুতার জেরে সুলতানপুর গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে ইউসুফ আলীর (৩৫) ওপর জুয়েল (২৫) নামে এক তরুণের নেতৃত্বে ৮ থেকে ৯ জনের একদল ক্যাডার দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। সন্ত্রাসীদের এলোপাথাড়ি কোপে ইউসুফের মাথায় মারাত্মক ও রক্তাক্ত জখম হয়। আশপাশের পথচারী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

এর ঠিক কয়েক ঘণ্টা পর, রাত ১১টার দিকে যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়নের গাদগাছি গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জের ধরে আরও একটি হামলার ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীদের বসতবাড়ির সামনেই জমি নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের অরণ্য, পলাশ, অথ্যি, শঙ্করী ও শিউলি নামে কয়েকজন সংঘবদ্ধ হয়ে রড নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাদের রডের রূঢ় আঘাতে মানিক চন্দ্র দাস (৪০), জয় দাস (২৬) ও অনিক রায় (৫২) নামের দুই পুরুষ ও এক নারী মাথা ও শরীরে মারাত্মক আঘাত পেয়ে রক্তাক্ত হন। পরে স্বজনেরা তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তাঁরা হাসপাতালের পুরুষ ও মহিলা সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আলাদা এই দুটি সহিংস হামলার বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানিয়েছে, উভয় ঘটনার খবর পেয়েই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হামলার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে এবং আইনগত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ফাইল ছবি সংগৃহীত।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *