স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
যশোর শহরের বকুলতলা এলাকায় ‘যশোর জেলা টেম্পু, অটোটেম্পু, অটোরিকশা ও অটো থ্রি-হুইলার চালক শ্রমিক ইউনিয়ন’ (রেজিঃ খুলনা-১৫১৮)-এর কার্যালয় উচ্ছেদ অভিযান বন্ধের জোর দাবি জানিয়েছেন সংগঠনটির শীর্ষ নেতারা।
আজ রোববার (৪ অক্টোবর ২০২৬) যশোর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বরাবরে দাখিল করা এক জরুরি আবেদনপত্রে এই দাবি জানান সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক কে এম আরিফুল ইসলাম।
আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়, উক্ত নিবন্ধিত সংগঠনের আওতায় শহরের বিভিন্ন রুটে ২৫০টিরও বেশি যান চলাচল করে এবং বর্তমানে ৩৮৭ জন কার্ডধারী চালক ও শ্রমিক কর্মরত রয়েছেন। তারা দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় প্রশাসনের মৌখিক অনুমতি সাপেক্ষে যশোর শহরের কেন্দ্রস্থল দড়াটানা-বকুলতলা এলাকার ঐতিহ্যবাহী গরিবশাহ মাজারের পাশে ভৈরব নদের পাড়ে সরকারি জমিতে প্রধান কার্যালয় স্থাপন করে শহরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ৮টি জনবহুল রুটে নিয়মিত যাত্রীসেবা প্রদান করে আসছেন।
বিজ্ঞাপন
আবেদনে শ্রমিক নেতারা আরও দাবি করেন, ইউনিয়নের আওতাভুক্ত শ্রমিকরা বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কর্মকাণ্ডে সার্বিক সহায়তা প্রদান করে থাকেন। একই সাথে যশোর জেলা পুলিশ প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণাধীন ৮টি পুলিশ ফাঁড়িতে প্রতিদিন ৮টি গাড়ির মাধ্যমে জরুরি পরিবহন সুবিধা প্রদান করা হয়, যা সম্পর্কে জেলা পুলিশ সুপার স্বয়ং অবগত রয়েছেন।
সংগঠনের নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, বকুলতলা এলাকার প্রধান ইউনিয়ন কার্যালয়টি উচ্ছেদ করা হলে পুরো শহরের গণপরিবহন শৃঙ্খলা ভেঙে পড়বে এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যাত্রীসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে। একই সাথে খেটে খাওয়া ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর জীবিকা অর্জনের পথ রুদ্ধ হয়ে যাওয়ার চরম আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে বকুলতলাস্থ ইউনিয়ন কার্যালয়টি উচ্ছেদ না করে শ্রমিকদের সেখানে অবস্থান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি স্বাভাবিক যাত্রীসেবা পরিচালনার সুযোগ দেওয়ার জন্য জেলা পরিষদ নেতৃত্বের কাছে জরুরি প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণের আকুল আবেদন জানানো হয়। ফাইল ছবি সংগৃহীত।
