স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) উচ্চমানের গবেষণার ক্ষেত্র তৈরি, নৈতিক মানদণ্ড রক্ষা এবং স্বচ্ছ আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে এক বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর ২০২৬) সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একাডেমিক ভবনের অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফ হোসেন গ্যালারিতে দিনব্যাপী এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালার আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও মূল প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর। বিশেষ অতিথি ও প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান।
বিজ্ঞাপন
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর জোর দিয়ে বলেন, নৈতিকতা ও প্রগাঢ় সততাই একটি বিশ্বমানের প্রথমার্ধের বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার প্রধান স্তম্ভ। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি গবেষক ও দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের গৃহীত প্রতিটি সিদ্ধান্ত এবং কাজের স্বচ্ছতার ওপরই প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি সুনাম ও ভাবমূর্তি নির্ভর করে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, গবেষণার নিছক সংখ্যার চেয়ে তার গুণগত মান ও নৈতিক সততার ওপর অধিক গুরুত্বারোপ করা উচিত। কোনো কারণে অনৈতিক গবেষণার অভিযোগ উঠে আন্তর্জাতিক জার্নাল থেকে গবেষণাপত্র প্রত্যাহার হলে তা কেবল গবেষকের ব্যক্তিগত অর্জনেই আঘাত হানে না, বরং সমগ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সুনাম ও মর্যাদাকে চরমভাবে ক্ষুণ্ন করে।
কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান তাঁর বক্তব্যে প্রাতিষ্ঠানিক ও একাডেমিক ধারাবাহিক অগ্রগতির জন্য সঠিক আর্থিক ব্যবস্থাপনার অপরিহার্যতা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, যথাযথ বাজেট সমন্বয় ও সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ও সফল ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব।
দিনব্যাপী এই কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন আইকিউএসির সুযোগ্য পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. মীর মোশাররফ হোসেন এবং সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটি সুচারুভাবে পরিচালনা করেন আইকিউএসির অতিরিক্ত পরিচালক ড. কে. এম. আনিস-উল-হক। আয়োজিত এ কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষক, গবেষক এবং দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তারা সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়ে দিকনির্দেশনা গ্রহণ করেন। ছবি সংগৃহীত।
