স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
যশোরের বাঘারপাড়া ও কেশবপুর উপজেলায় পৃথক দুটি সংঘর্ষের ঘটনায় নারীসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৯ অক্টোবর ২০২৬) সকালে পারিবারিক কলহ এবং জমিতে বেড়া দেওয়াকে কেন্দ্র করে এসব অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তিরা বর্তমানে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ও কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে বাঘারপাড়া উপজেলার সাধিপুর গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে মনিফা (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নির্যাতনের শিকার হন। তিনি ওই গ্রামের ইসমাইলের (৪০) স্ত্রী। পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধের একপর্যায়ে স্বামী ইসমাইল তাঁর হাতে থাকা টর্চলাইট দিয়ে মনিফাকে বেধড়ক মারধর করেন। এতে তিনি রক্তাক্ত জখম হন। পরবর্তীতে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের মহিলা সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অপরদিকে, একই দিন সকাল সাড়ে নয়টার দিকে কেশবপুর উপজেলার ৩ নম্বর মজিদপুর ইউনিয়নের মজিদপুর গ্রামে ওহিদ বিশ্বাসের বাড়ির সামনের সড়কে জমিতে বেড়া দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। স্থানীয় সূত্রে প্রকাশ, ওহিদ বিশ্বাসের ছেলে শিমুল বিশ্বাস (৩২) একটি জমিতে বেড়া দেওয়ার জন্য মারুফ (৩৪) নামের এক ব্যক্তিকে শ্রমিক হিসেবে নিয়োজিত করেছিলেন। তবে কাজের চুক্তি সম্পূর্ণ না হওয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং একপর্যায়ে শ্রমিক মারুফ অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন।
বিজ্ঞাপন
এর প্রতিবাদ করায় মারুফের হাতে থাকা লোহার শাবল দিয়ে শিমুল পক্ষের লোকজনের মাথায় আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি আঘাতে মারুফ নিজেও আহত হন। এই সংঘর্ষের ঘটনায় শিমুল বিশ্বাস, তাঁর মা আসমা বেগম (৫০), ভাই আবদুল্লাহ (২৪) এবং অপর পক্ষের শ্রমিক মারুফ আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান এবং সেখানে তাঁরা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে, বর্তমানে আহত সকলের শারীরিক অবস্থা শঙ্কামুক্ত রয়েছে। ছবি সংগৃহীত।

