ব্যবসায়ীকে কোপানোর অভিযোিই আ.লীগ নেতার সন্ত্রাসী পুত্র আটক

ব্যবসায়ীকে কোপানোর অভিযোিই আ.লীগ নেতার সন্ত্রাসী পুত্র আটক

বিশ্বাস শিহাব পারভেজ মিঠু, কলাপাড়া :

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে এক মুদি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে মর্মান্তিকভাবে জখম করার ঘটনায় দায়ের হওয়া হত্যাচেষ্টা মামলার প্রধান অভিযুক্ত মো. আল রুমান ওরফে সাব্বির (২২)-কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত সাব্বির স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি সদস্য আবুল হোসেন কাজী (আবুল কোম্পানী)-র ছেলে।

আজ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট ২০২৬) দুপুরে উপজেলার আলীপুর মৎস্য বন্দর এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে মহিপুর থানা পুলিশ। পরবর্তীতে তাঁকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, গত ২৬ জুলাই সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মহিপুর থানার লতাচাপলী ইউনিয়নের আলীপুর স্লুইসগেট সংলগ্ন এলাকার একটি দোকানের সামনে ব্যবসায়ী মো. ইদ্রিচ (৩৬)-এর ওপর অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

মামলার বিবরণ ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা আবুল হোসেন কাজী এবং তাঁর ছেলে সাব্বিরের নেতৃত্বে ৭-৮ জনের একটি দল দেশীয় ধারালো অস্ত্র ও হাতুড়ি নিয়ে ইদ্রিচের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। হামলাকারীরা রামদা, চাইনিজ কুড়াল ও লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে ইদ্রিচের মাথা, হাত, পা ও পাঁজরের হাড় ভেঙে মারাত্মক জখম করে।

পরে স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে তাঁকে প্রথমে কুয়াকাটা হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে দীর্ঘ পাঁচদিন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে আজ ৪ আগস্ট ভুক্তভোগী ইদ্রিচ বাদী হয়ে সাব্বিরকে প্রধান আসামি করে ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে মহিপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার জানান, মামলা এজাহারভুক্ত প্রধান অভিযুক্ত সাব্বিরকে আলীপুর থেকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশের বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। ছবি সংগৃহীত।

আরো পড়ুন

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *