স্ফুলিঙ্গ রিপোর্ট :
যশোরের শার্শা থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম নিয়মিত চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আঠারো পিস স্বর্ণের বার এবং একটি মোটরসাইকেলসহ মোঃ আলাউদ্দীন (৫২) নামের এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের মোট ওজন ২ কেজি ৯০ গ্রাম, যা প্রায় ১৮০ ভরি।
আজ বুধবার (২১ অক্টোবর ২০২৬) সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে সহকারী পুলিশ সুপার (নাভারণ সার্কেল) জনাব মোঃ আরিফ হোসেনের প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে এবং শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব মোঃ শামিনুল হক ও এসআই (নিঃ) শেখ মোঃ জাহিদুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত পুলিশের টিম এই আভিযানিক সাফল্য অর্জন করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের আভিযানিক দলটি শার্শা থানাধীন খাজুরা এলাকায় বিশেষ অবস্থান নেয়। পরবর্তীতে শার্শা থানাধীন দক্ষিণ বুরুজবাগান গ্রামস্থ ‘প্রাইম ব্রিকস’ নামক ইটভাটা সংলগ্ন নাভারণ-সাতক্ষীরাগামী পাকা রাস্তার ওপর তল্লাশি চলাকালে সন্দেহভাজন হিসেবে মোঃ আলাউদ্দীনকে আটক করা হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তাঁর সাথে থাকা অন্য দুইজন অজ্ঞাতনামা সহযোগী কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
বিজ্ঞাপন
পরবর্তীতে উপস্থিত পুলিশ সদস্য ও সাক্ষীদের উপস্থিতিতে আটক আলাউদ্দীনের হেফাজতে থাকা মালামাল তল্লাশি করে বিশেষ কায়দায় রাখা ১৮ পিস স্বর্ণের বার এবং পাচারে ব্যবহৃত একটি সুজুকী মোটরসাইকেল জব্দ তালিকা মূলে উদ্ধার ও আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামির নাম মোঃ আলাউদ্দীন (৫২)। তিনি শার্শা উপজেলার হাড়িখালী (যদুনাথপুর) গ্রামের মৃত গোলাম রসুলের ছেলে এবং তাঁর মাতার নাম মোছাঃ জায়েরা খাতুন।
উদ্ধারকৃত ১৮টি স্বর্ণের বার ও মোটরসাইকেল জব্দ করার পর এ ঘটনায় শার্শা থানায় একটি নিয়মিত চোরাচালান মামলা রুজু করার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত পালিয়ে যাওয়া অন্য দুই পলাতক সহযোগীর নাম-ঠিকানা সংগ্রহসহ তাঁদের গ্রেফতার করতে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে। ছবি সংগৃহীত।

